ঢাকাMonday , 30 March 2026
  • অন্যান্য
  1. আন্তর্জাতিক
  2. খেলাধুলা
  3. বিনোদন
  4. রাজনীতি
  5. সারাদেশ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

জ্বালানি নিয়ে জনগণের স্বস্তি নিশ্চিত করতে নিরলসভাব কাজ করছি

Jonotarkhobor
March 30, 2026 1:40 pm
Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদক-ঃ জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, জ্বালানির প্রকৃত চাহিদা বাড়েনি। জনগণের মধ্যে প্রয়োজনের চেয়ে অতিরিক্ত ক্রয়ের প্রবণতা বিদ্যমান রয়েছে। জনগণের স্বস্তি নিশ্চিত করতে আমরা নিরলসভাব কাজ করছি।

সোমবার (৩০ মার্চ) বিকেলে সংসদে প্রথম অধিবেশনের ভাষণে তিনি এ কথা বলেন।

জ্বালানি মন্ত্রী বলেন, বিশ্ব আজ এক অস্থির সময় অতিক্রম করছে। আন্তর্জাতিক সংঘাত, ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা, সর্ব ব্যবস্থার ঝুঁকি ও জ্বালানি পরিবহনের অনিশ্চয়তা সব মিলিয়ে বিশ্ববাজারে এক ধরনের অস্থিতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা চাপের মুখে ফেলেছে। এই অভিঘাত বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশে এসে পৌঁছেছে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে ও তত্ত্বাবধানে আমরা সঠিক এবং সময়মতো প্রস্তুতি নিয়েছি।
বাংলাদেশে কোনো জ্বালানি ঘাটতি নেই জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা গত বছরের তুলনায় সরবরাহ আরো বাড়িয়েছি। গত বছরের এই সময় যে পরিমাণে জ্বালানি তেলের সরবরাহ বৃদ্ধি করা হয়েছিল, এ বছর তার চেয়ে বেশি সরবরাহ নিশ্চিত করতে পেরেছি। বর্তমানে সরকার দায়িত্বভার গ্রহণ করেছে ১৭ ফেব্রুয়ারি। সে সময় সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ডিজেলের মজুত ছিল ২ লাখ ৬ হাজার টন। ৩০ মার্চ পর্যন্ত দেশের ডিজেলের মজুত আছে ২ লাখ ১৮ হাজার টন। বর্তমানে সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করার ৪১ দিনে ডিজেল বিক্রি হয়েছে ৪ লাখ ৮২ হাজার টন। বিপুল সরবরারের পরেও মজুত বৃদ্ধির পাওয়ায় প্রমাণ করে যে সরকার আগাম প্রস্তুতি হিসেবে ধারাবাহিক আমদানি ও কার্যকর ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে সরব ব্যবস্থাকে অব্যাহত রেখেছে।
জ্বালানি মন্ত্রী বলেন, সরকার ডিজেলের পাশাপাশি অকটনের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার জন্য এরইমধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তি অনুযায়ী এপ্রিলে মাসে ৫০ হাজার টন অকটেন আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে। এছাড়া দেশীয় উৎস থেকে ৩ হাজার টন পাওয়া যাবে। অর্থাৎ অকটেনে যে চাহিদা ৩৫০০০ টন হলেও সরকার মজুতের যে ব্যবস্থা গ্রহণ করছে তাতে আরো দুই মাসের চাহিদা পূরণ হবে।

ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, আজ বিশ্বে জ্বালানি সংকটের কারণে বহু দেশ জ্বালানি জরুরি ঘোষণা করেছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কলকারখানা পর্যন্ত সীমিত করেছে। কিন্তু বাংলাদেশে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি, জীবনযাত্রা সচল রাখতে। আমাদের পরিবহন, শিক্ষা কার্যক্রম, শিল্প কারখানা, ব্যবসা-বাণিজ্য ও কৃষি উৎপাদন নির্বিচ্ছিন্নভাবে চলছে। আমরা এই গতি বজায় রাখতে চাই। জনগণের সহযোগিতা আজ আমাদের এজন্যই অত্যন্ত জরুরি। জনগণের ভোটে নির্বাচিত বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার মনে করে সবার সম্মিলিত প্রয়াসের মাধ্যমে সেই লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব হবে।
তিনি বলেন, এই সময়ে আমাদের সবার উচিত প্রয়োজনের অতিরিক্ত জ্বালানি ক্রয় না করা। মজুত রোধ করা। জ্বালানি ও বিদ্যুতের অপচয় রোধ করা। আমি সংসদের মাধ্যমে দেশবাসীকে আশ্বস্ত করতে চাই, বৈদেশিক সংকটের মধ্যেও সরকার জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি করেনি। পৃথিবীর অনেক দেশে জ্বালানির দাম বারবার সমন্বয় করতে হয়েছে। এমনকি প্রতিবেশী অনেক দেশেও ২৫ শতাংশেরও বেশি মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। সেখানে বাংলাদেশের সরকার জনগণের স্বার্থে অগ্রগতি দিয়ে স্মৃতিশীল রেখেছে। কারণ জানি জ্বালানি দাম বাড়লে কৃষি উৎপাদন, পরিবহন খরচ, সাধারণ মানুষের জীবন যাত্রার ব্যয় বহুগুণ বেড়ে যায়।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।