নিউজ ডেস্ক: পুরনো গ্লানি পেরিয়ে নতুনের ডাক, দরজায় কড়া নাড়ছে বাংলা নববর্ষ। যাদের প্রতিদিনের জীবন আর বৈশাখ অজান্তেই মিশে আছে এক সুতায়, তাদের চোখে কেমন করে ধরা দেয় এই উৎসব? সময়ের পালাবদলে বদলেছে বৈশাখের রূপ, বদলেছে বরণের ধরনও।
চৈত্রের বিদায়ী দিনের শেষে নতুনের আবাহন। প্রকৃতির এই পরিবর্তনে সামিল হয় মানুষও। এ এমন এক যূথবদ্ধতা, যেখানে প্রকৃতি ও মানুষ এক সুতায় গাঁথা পড়ে নতুনের অপেক্ষায়।
প্রকৃতির রূপে বেজে উঠছে বৈশাখের আগমনী সুর। আর এই বদলে যাওয়া আবহের বার্তা সবার আগে পৌঁছে যায় গ্রামীণ মানুষের চিরচেনা জীবনে।
ঋতুর এই পালাবদল আপন ছন্দে জড়িয়ে নেয় প্রান্তিকের মাটি ও মানুষকে। গ্রামীণ জীবনে চৈত্র যেমন বিদায়ের, তেমনি হিসাব-নিকাশেরও। প্রকৃতির এই ছোট ছোট পরিবর্তনই যেন মায়া হয়ে মিশে আছে গ্রামীণ মানুষের প্রতিদিনের কাজে।
যেমন নিস্তব্ধ দুপুরে পুরনো ঘরটাকে নতুন করে গুছিয়ে তোলার চেষ্টা, কিংবা ছোট ছোট আয়োজনে নিজেকে সাজিয়ে তোলা, এসবের মধ্যেই ধরা দেয় আসন্ন উৎসবের আভাস। সরল প্রস্তুতিতেই যেন লুকিয়ে থাকে বৈশাখের ডাক। এখানে উৎসব ধরা দেয় না বিলাসিতার রূপে, বরং শান্তিই এখানে পরম ধর্ম।
সময় বদলেছে। বদলেছে বর্ষবরণের ধরনও। শহুরে চাকচিক্য এখানে নেই, নেই আড়ম্বরের বাহুল্য। তবুও প্রকৃতির সঙ্গে এ এক গভীর বোঝাপড়া, যেখানে টিকে আছে উদ্যাপনের আসল রূপ।
গ্রামবাংলায় বৈশাখ আসে একদম আড়ম্বরভাবে। তবে এখানেও থাকে মলিনতাকে ঝেড়ে ফেলে নতুন সম্ভাবনার আশা। তাইতো এই বৈশাখে পুরনো যাক ধুয়ে, নতুন আসুক মহা সমারোহে।
